মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
অপরাধ উন্মোচন
nationwide

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস সেতু চালু যাতায়াত সময় এখন ৫ মিনিট

৫-০৯-২০২৬
4
ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস সেতু চালু  যাতায়াত সময় এখন ৫ মিনিট
"ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নবনির্মিত সার্ভিস সেতু এবং চলাচলকারী যানবাহন।"

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট আর ভাঙাচোরা রাস্তার দুর্ভোগ পেছনে ফেলে এখন মাত্র ৫ থেকে ৬ মিনিটেই পাড়ি দেওয়া যাচ্ছে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর মোড় পর্যন্ত পথ। ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটারের পৃথক দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার পর থেকেই পাল্টে গেছে যাতায়াতের চিত্র।

গত বুধবার দুপুরে ফিতা কেটে সেতু দুটি উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এর পর থেকেই দুই লেনবিশিষ্ট এই সেতু দিয়ে কোনো ধরনের টোল ছাড়াই সব ধরনের যানবাহন চলাচল করছে।

চালক ও যাত্রীদের স্বস্তি

নতুন এই সেতু চালুর ফলে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি ফিরেছে পরিবহন চালক ও সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে। আলিফ পরিবহনের চালক শাহীন জানান, ভাঙা রাস্তা ও তীব্র যানজটের কারণে আগে এই পথ পার হতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগলেও এখন মাত্র ১০ মিনিটের কম সময়ে তা অতিক্রম করা সম্ভব হচ্ছে। সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক সোহাগ হোসেন জানান, রাস্তা মসৃণ হওয়ায় এখন গাড়ির মালামাল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমেছে এবং টোল ছাড়াই যাতায়াত করা যাচ্ছে।

তবে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ফয়সাল কিছুটা উদ্বেগের কথা জানিয়ে বলেন, সেতু দিয়ে দ্রুত যাতায়াত করা গেলেও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে সিএনজির ভাড়ার ওপর কিছুটা প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা মনে করছেন, এই সেতু চালুর ফলে এলাকায় জনসমাগম ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সুবিধা

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের মূল উপাদানের মধ্যে রয়েছে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ১০ দশমিক ৮৩৪ কিলোমিটার র‍্যাম্প, ১৬ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক এবং ৭ দশমিক ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সেতু।

প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে। ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৬ শতাংশ। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া, বাইপাইল ও ডিইপিজেডের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এর সুফল পাবেন উত্তরবঙ্গসহ ৩০টি জেলার প্রায় চার কোটির বেশি মানুষ।

— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

মোট ০ প্রতিক্রিয়া

প্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।

প্রকাশক
নিজস্ব প্রতিবেদক
অপরাধ উন্মোচন
নিউজলেটার

দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান

যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য ()

মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।