রাজপথের লড়াকু সৈনিক 'রক্তাক্ত আনোয়ার'৩ বার গুলিবিদ্ধ ও আইসিইউ থেকে ফিরে আবারও জনতার কাতারে
…

নিজস্ব প্রতিবেদক:
...................................
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতিতে ত্যাগ, হামলা-মামলা আর আপসহীন সংগ্রামের এক অনন্য দৃষ্টান্ত সিএম আনোয়ার হোসেন। খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করা এই নেতা সাধারণ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নাম। রাজপথের আন্দোলনে বারবার রক্তের দাগ লেগেছে তাঁর গায়ে, তাই নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় তিনি আজ পরিচিত "রক্তাক্ত আনোয়ার" নামে।
মৃত্যুর দুয়ার থেকে রাজপথে ফেরা
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন থেকে শুরু করে বৈষম্যবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান—রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচিতেই সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সিএম আনোয়ার হোসেন। বিগত দিনের রাজনৈতিক আন্দোলনে তিনি ৩ বার সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। একাধিকবার পৈশাচিক হামলার শিকার হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে ঠাঁই নিতে হয়েছিল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)।
চিকিৎসকরা যেখানে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, সেখান থেকে নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর অকুণ্ঠ দোয়া ও ভালোবাসায় বলীয়ান হয়ে তিনি অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে আবারও রাজপথে নেমেছেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক তাঁকে ভালোবেসে 'রক্তাক্ত আনোয়ার' বলে ডাকেন।
সুসংগঠক ও গণমানুষের নেতা
সিএম আনোয়ার হোসেন শুধু রাজপথের লড়াকু সৈনিকই নন, একজন দক্ষ সংগঠকও বটে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানা বিএনপি আজ উত্তর ঢাকার অন্যতম সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল ইউনিটে পরিণত হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ ভেদাভেদ দূর করে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সাংবাদিক, সাধারণ মানুষ ও সকল দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক
রাজনীতির মাঠে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্পর্ক রক্ষায় তিনি অনন্য। সংবাদকর্মীদের (সাংবাদিক সমাজ) যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সবসময় পাশে থাকেন। শুধু তাই নয়, নিজের দল বিএনপির পাশাপশি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সাথে তাঁর রয়েছে গভীর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। সাধারণ মানুষের যেকোনো বিপদ-আপদে তিনি বাড়িয়ে দেন সহযোগিতার হাত।
মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স'
রাজনীতির পাশাপাশি খিলক্ষেত এলাকার সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে এলাকাকে সম্পূর্ণ চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করতে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁর কড়া অবস্থানের কারণে এলাকায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে এসেছে। তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিচ্ছেন।
এক নজরে সিএম আনোয়ার হোসেন:
বর্তমান পদ: যুগ্ম আহ্বায়ক, খিলক্ষেত থানা বিএনপি।
বিশেষ পরিচিতি: রাজপথের আপসহীন সৈনিক, "রক্তাক্ত আনোয়ার"।
অভিজ্ঞতা: আন্দোলনে ৩ বার গুলিবিদ্ধ, একাধিকবার আইসিইউ থেকে জীবন বাজি রেখে প্রত্যাবর্তন।
সামাজিক অবস্থান: সাংবাদিক, সাধারণ জনগণ ও সকল দল-মতের মানুষের সাথে চমৎকার সুসম্পর্ক।
মূল লক্ষ্য: দলের আদর্শ রক্ষা এবং খিলক্ষেতকে সম্পূর্ণ মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা।
খিলক্ষেত এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মতে, সিএম আনোয়ার হোসেন কেবল কোনো দলের নির্দিষ্ট নেতা নন; তিনি এলাকার সুখ-দুঃখের অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক।
— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
মোট ০ প্রতিক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।
দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান
যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।