সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অপরাধ উন্মোচন
অপরাধ

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে রায়হান হাতছাড়া

Favourable weather brings cheer.

২৯-০৭-২০২৬২৬০২
4
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার  নোয়াখালীতে রায়হান হাতছাড়া
"চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ও শুটার মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।" ছবি: সংগৃহীত

গাজী ফিরোজ:

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামজুড়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন, প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা ও চাঁদাবাজির মাস্টারমাইন্ড শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে যশোর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ভারতে আত্মগোপনে থাকা ইমন চার দিন আগে সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছিলেন। পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে পুনরায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে তিনি ধরা পড়েন।

জোড়া খুন, আকবর হত্যাসহ ১৫ মামলার আসামি

গ্রেপ্তারকৃত ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) নাজিমুল হক জানান, “সন্ত্রাসী ইমন ভারত থেকে কিছুদিন পর পর দেশে আসা-যাওয়া করতেন। তাঁর কাছে একাধিক দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর অপরাধ সাম্রাজ্যের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।” ইমনের বিরুদ্ধে বাকলিয়ার আলোচিত জোড়া খুন, পতেঙ্গা সৈকতে ‘ঢাকায়া আকবর’ হত্যাসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। পুলিশ জানায়, ইমন অত্যন্ত দক্ষ শুটার এবং তাঁর কাছে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি অত্যাধুনিক দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের সন্ধান রয়েছে।

‘বড় সাজ্জাদের’ হয়ে ক্যাডার বাহিনী পরিচালনা

বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে ‘বড় সাজ্জাদের’ হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান। এর আগে ছোট সাজ্জাদ কারাগারে যাওয়ার পর বাহিনীর অন্তত ৫০ জন ক্যাডার ও শুটারকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন এই দুজন। বড় সাজ্জাদের নাম ভাঙিয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের কাছে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

নোয়াখালীতে দেয়াল টপকে পালালেন অপর প্রধান সহযোগী রায়হান

এদিকে ইমনের প্রধান সহযোগী মোহাম্মদ রায়হানকে ধরতে গতকাল রাতে নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম নিশ্চিত করেছেন, পুলিশ একটি বাড়িতে অভিযান চালালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে দেয়াল টপকে পালিয়ে যান রায়হান। ৮টি মামলার আসামি রায়হানকে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরালো করা হয়েছে।

— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

মোট ০ প্রতিক্রিয়া

প্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।

প্রতিবেদক
ক্রাইম রিপোর্টার
অপরাধ বিভাগ · অপরাধ উন্মোচন
নিউজলেটার

দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান

যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য ()

মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।