মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
অপরাধ উন্মোচন
nationwide

বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জোরালো দাবি প্রবাসীদের!

১৪-০৯-২০২৬
4
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জোরালো দাবি প্রবাসীদের!
"যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসলে বঙ্গবীর ওসমানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার একাংশ।"

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম. এ. জি.) ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাজ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নিউক্যাসলের গসফর্থ বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড টেকঅ্যাওয়েতে ‘দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ, নিউক্যাসল, ইউকে শাখা’র উদ্যোগে এই মতবিনিময় ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বঙ্গবীর ওসমানীর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মর্যাদায় পালনের জোরালো দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের নিউক্যাসল শাখার প্রেসিডেন্ট মো. কাপ্তান মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ মাসুমের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. মালেক খান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ. এম. এম. ঈসা। বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ ইস্ট বিএনপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল মান্নান মুন্না।

অতিথিদের বক্তব্য ও প্রস্তাবনা

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. এ. মালেক খান বলেন, ওসমানীর সামরিক নেতৃত্বে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছি। তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মরণোত্তর ফিল্ড মার্শাল মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি সরকারকে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এ. এম. এম. ঈসা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ‘বঙ্গবীর’ হিসেবে এম. এ. জি. ওসমানীর ঐতিহাসিক পরিচিতি ও মর্যাদা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তিনি সরকারের কাছে ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে—নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সামরিক নেতৃত্ব ও জীবন তুলে ধরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা ও গবেষণাকে উৎসাহিত করা, স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ করা এবং দেশ ও প্রবাসে তাঁর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আব্দুল মান্নান মুন্না ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী এই মহান নেতার বর্ণাঢ্য সামরিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর Commander-in-Chief হিসেবে ভূমিকা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এছাড়া সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এম. এ. শাহান চৌধুরী, এম. এ. মুন্না ও ফাতেহুল আলম শাকিল। বক্তারা প্রবাসে থেকেও নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস এবং দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

মোট ০ প্রতিক্রিয়া

প্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।

প্রকাশক
নিজস্ব প্রতিবেদক
অপরাধ উন্মোচন
নিউজলেটার

দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান

যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য ()

মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।