যুবদল নেতা কবির ও আবু সাঈদের বিরুদ্ধে সাইবার অপপ্রচার বনানী থানায় জিডি সত্ত্বেও ক্ষোভ

বিশেষ প্রতিনিধি:আরিয়ান সুমন
রাজনীতির মাঠ ও এলাকায় যাঁর শক্ত অবস্থান, তাঁকে দমানোর চেষ্টা নতুন কিছু নয়। রাজধানী ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বনানী ও গুলশান এলাকা নিয়ে গঠিত ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় বেড়ে উঠেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের উদীয়মান নেতারা। তবে ইদানীং তাঁদের এই জনপ্রিয়তাকে আড়াল করতে ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি অপশক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক (নকল) আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক কবির হোসেনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ভিত্তিহীন পোস্ট ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তিনিই নন, একই ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বনানী থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদও। তিনিও অতীতে বানোয়াট অপপ্রচারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করলেও কাঙ্ক্ষিত কোনো ফলাফল বা প্রতিকার পাননি।
সর্বশেষ অপপ্রচারের ঘটনায় বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ২৫১৫, তারিখ: ২৮/০৭/২০২৬) করা সত্ত্বেও সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসী ও সাধারণ কর্মীদের মাঝে।
ওয়ার্ড আহ্বায়ক কবির হোসেন এই নোংরা কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। স্থানীয় নেতাকর্মী ও অধিবাসীদের দাবি—রাজধানীতে সাইবার অপরাধ নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ থাকলেও পুলিশের সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই নীরবতার সুযোগ নিয়ে সাইবার চক্রটি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, অনতিবিলম্বে ফেক আইডি ব্যবহার করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের চরিত্রহননকারী এই সাইবার অপরাধী চক্রটিকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।
— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
মোট ০ প্রতিক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।
দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান
যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।