এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে স্কচটেপ প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার: বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশের কাছ থেকে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের একটি বাসও জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর মহাখালী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বনানী থানা-পুলিশ ও র্যাব এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসটির চালক সোহেল রানা (৪০), সুপারভাইজার সাজু (২৮) এবং হেলপার মনির (১৮)।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া
র্যাব-১-এর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত ইসমাইল হোসেন জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাসে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশের মুখে তাঁর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর র্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাকে মহাখালী কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনিরকেও আটক করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বাসটি জব্দ করা হয়। আসামিদের বনানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন
আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
মোট ০ প্রতিক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।
দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান
যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য (০)
মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।