-----------
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এয়ারপোর্ট হাজী ক্যাম্প সংলগ্ন আর-রাহা হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেডের বিরুদ্ধে উঠেছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। বহুতল এই চিকিৎসা কেন্দ্রে গাড়ি পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম না মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও সাধারণ পথচারীরা।
পার্কিংহীন বিশাল ভবন, ভোগান্তির কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ সরেজমিনে দেখা যায়, এত বড় একটি হসপিটাল অথচ সেখানে আগত রোগীদের যানবাহন রাখার জন্য নিজস্ব কোনো পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স প্রধান সড়কের ওপর রাখতে হচ্ছে। এতে এই ব্যস্ততম এলাকায় প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হসপিটাল কর্তৃপক্ষ স্রেফ বাণিজ্যিক স্বার্থে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে পার্কিং স্পেস ছাড়াই কার্যক্রম চালাচ্ছে।
ম্যানেজারের লুকোচুরি ও প্রশাসনিক নীরবতা অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে হসপিটালের ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা এড়িয়ে যান। এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও এই হসপিটালটি সেই সবের তোয়াক্কা করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় এমন অনিয়ম চললেও তাদের তেমন কোনো কার্যকরী ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—আইন কি তবে সবার জন্য সমান নয়?
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর করণীয় ও বক্তব্য এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য হলো, যে কোনো চিকিৎসা কেন্দ্র বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ক্ষেত্রে পার্কিং স্পেস রাখা বাধ্যতামূলক। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উচিত অবিলম্বে ট্রাফিক জ্যাম ও জনদুর্ভোগ রোধে হসপিটাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বৈধতা ও অবকাঠামোগত সঠিকতা যাচাই করা প্রয়োজন।
উপসংহার সেবা দেওয়ার নামে যেন সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। প্রশাসনের নিরবতা ভাঙবে এবং সাধারণ মানুষ এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে—এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী মহলের।
পরামর্শ: একজন সাংবাদিক হিসেবে আপনি প্রতিবেদনটি প্রকাশের আগে ওই এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার একটি ছোট মন্তব্য (যেমন: "আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।উত্তরায় সাম্প্রতিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে এই বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আনা আপনার জন্য সহজ হতে পারে।